4 arrested in Kaliachak, সুজাপুরে শিশু হত্যার ঘটনায় তৎপর পুলিশ
কালিয়াচকঃ 4 arrested in Kaliachak, সুজাপুরে শিশু হত্যার ঘটনায় তৎপর পুলিশ। ছাগল চুরির ঘটনা দেখে ফেলায় ১২ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার কালিয়াচক-১ ব্লকের সুজাপুর এলাকায়। চামাগ্রাম বাগানপাড়া সংলগ্ন একটি লিচুবাগান থেকে ফাহিম শেখ নামে ওই শিশুর দেহ উদ্ধারের পর ঘটনায় তদন্ত শুরু করে কালিয়াচক থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, ছাগল চুরির ঘটনা দেখে ফেলেছিল ফাহিম। সেই কারণেই তাকে খুন করে পরে ঘটনাটি অন্যভাবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফাহিম বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। মঙ্গলবার দুপুরে সে নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজ শুরু করেন। পরে চামাগ্রাম এলাকার একটি লিচুবাগান থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
ফাহিমের মায়ের অভিযোগ, তাঁর ছেলে এলাকায় ছাগল চুরির ঘটনা দেখে ফেলেছিল। সেই কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছয়নি।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে সুজাপুরের চামাগ্রাম এলাকা থেকে মোহাম্মদ নাসতারুল হক ওরফে রনি (২১) এবং রোহিত শেখ (১৯)-কে গ্রেফতার করা হয়। দু’জনেরই বাড়ি চামাগ্রাম শিরোটোলা এলাকায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তে আরও দু’জনের নাম সামনে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
4 arrested in Kaliachak ভিডিও
পরবর্তী সময়ে ফাহিম হোসেন (১৬) এবং জসিম শেখ (১৭)-কেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই নিয়ে ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দু’জন নাবালক।
হাইকোর্টের নির্দেশের পরও জাতীয় সড়কে টোটোর দাপট
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ছাগল চুরির ঘটনার সঙ্গে শিশুটির মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, সেই বিষয়গুলিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
ধৃতদের আদালতে পেশ করে তদন্তের স্বার্থে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনায় পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।