Regulations book চাওয়াকে কেন্দ্র করে কালিয়াচক-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি মারধরের অভিযোগ
কালিয়াচক; পঞ্চায়েতের রেজুলেশন খাতা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মালদার কালিয়াচক-১ ব্লকের কালিয়াচক-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। পঞ্চায়েত সচিবের বিরুদ্ধে একাধিক সদস্যের বিক্ষোভের পাশাপাশি উঠেছে পাল্টাপাল্টি মারধরের অভিযোগ। ঘটনায় দুই পক্ষই কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পাশাপাশি ব্লক প্রশাসনের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য শাহানাওয়াজ রহমান ওরফে বাবু রেজুলেশন খাতা দেখতে চান। তিনি পঞ্চায়েত সচিব সুফল ঘোষের কাছে খাতা চাইলেও তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সদস্যের দাবি, তাঁকে জানানো হয় রেজুলেশন খাতা পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে রয়েছে এবং প্রধানের কাছ থেকেই সেটি নিতে হবে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করেই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত সদস্য শাহানাওয়াজ রহমানের দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে পঞ্চায়েত সচিব সুফল ঘোষের পাল্টা দাবি, সদস্যই তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করেছেন। ঘটনায় উভয় পক্ষই কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এরই প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে কালিয়াচক-২ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান প্রায় ২০ জন পঞ্চায়েত সদস্য। তাঁদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে রেজুলেশন খাতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। সেই খাতা একজন নির্বাচিত সদস্যকে দেখতে না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে দাবি তাঁদের।
স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনে মুখর কালিয়াচক
এদিকে, সদস্য শাহানাওয়াজ রহমান-সহ কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্য কালিয়াচক-১ ব্লক অফিসেও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
regulations-book- Facebookk
অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত সচিব সুফল ঘোষ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, তিনিই ওই ঘটনার সময় আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত প্রধান জেসমিন খাতুন জানান, রেজুলেশন খাতা তাঁর বাড়িতে রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
রেজুলেশন খাতাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েতের ভিতরের এই বিবাদে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। দু’পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুলিশ ও ব্লক প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।